Friday, January 8, 2021

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন

 


গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন

 
Shares
Now
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
pinterest sharing button
linkedin sharing button
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন।

গ্যাস্ট্রাইটিস কিংবা গ্যাস্টিক আলসার কি? 

সাধারণত নাভির ওপরে পেটে ব্যথা হবে। 
খালি পেটে কিনবা ভোররাতের দিকে ব্যথা তীব্র হয়। 
গলা-বুক-পেট জ্বলে, টক ঢেকুর ওঠে। 
ঝাল-তেল-মসলাজাতীয় খাবারে ঝামেলা বেশি করে। 

আমাদের দেশে যে কোনো পেটে ব্যথা মানেই গ্যাস্ট্রিক। তাই যে কোনো কারণেই পেটের সমস্যা হোক না কেন Seclo/Loscetil/Maxpro/Sergel/Pantonix/Esotid/PPI/Nuprazol/Probitor ইত্যাদি খাও। আমার মনে হয় পুরো পৃথিবীতে এত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ অন্য কোনো দেশে খাওয়া হয় কিনা সন্দেহ আছে। 

আমি দেখেছি, প্রস্রাবের ইনফেকশনের জন্য তলপেটে ব্যথা তার জন্য আন্টি আলসারেন্ট খাচ্চে!

যাই হোক শুরু করেছিলাম পেট ফোলা নিয়ে। আমাদের দেশে ৭০-৮০ শতাংশ মানুষ যে কারণে অপ্রয়োজনীয় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খায় সেই সম্যসা হচ্ছে:

একটু খাবার খেলে পেট ভরা ভরা লাগে, অস্বস্তি লাগে ক্ষুদা লাগে না। এক বেলা খেলেই মনে হয় ১ সপ্তাহের খাওয়া খেয়ে ফেলেছে। পেট ফুলে যায়। অনেকের তো ঢোল হয়ে যায়।

শব্দ করে ডেকুর হয়। গ্যাস বের হয় মুখ দিয়ে ও পায়ুপথ দিয়ে। অনেকের গ্যাস 
ওপরের দিকে চাপ দেয়; বুক ধড়ফড় করে ওঠে! এমনকি অনেকের শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়! 

দুধ কিনবা দুধের তৈরি খাবার (সেমাই, কাস্টার্ড, আইসক্রিম ইত্যাদি), আটা দিয়ে তৈরি খাবার (পরোটা, কেক, শিঙাড়া, পাউরুটি ইত্যাদি) আর মশুরের ডাল খেলে সমস্যা বাড়ে।

আসলে ওপরের কোনো লক্ষণই আমাদের ভাষায় প্রচলিত গ্যাস্ট্রিক না। এখানে পেটে গ্যাস তৈরি হয় বেশি। এসব ক্ষেত্রে Omeprazole, Esomeprazole, lansoprazole, Rabeprazole এর কোনো ভূমিকা নেই।

অতিরিক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের কুফল? 

যারা প্রয়োজন ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে যাচ্ছেন দিনের পর দিন তাদের ভবিষ্যতে আয়রন, ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়ামের অভাব দেখা দেবে। এমনকি হাড় ক্ষয়, অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা সেই সঙ্গে শরীরে কিছু রোগজীবাণু প্রবেশের সক্ষমতা বেড়ে যাবে। এমনকি কিডনিতে মারাত্মক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

নিজের রোগ সম্পর্কে জানুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। প্রয়োজন ছাড়া ওষুধ খাওয়া পরিহার করুন।

সুস্থ থাকুন।

লেখক: ডা. কামরুজ্জামান চৌধুরী, লেকচারার, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ

কনটেন্ট ক্রেডিট: মেডিভয়েস

সূত্র  -যুগান্তর 

Wednesday, January 6, 2021

Plastic Pollution in world problem

প্লাস্টিক দূষণ হল পরিবেশ কর্তৃক প্লাস্টিক পদার্থের আহরণ যা পরবর্তীতে যে বন্যপ্রাণবন্যপ্রাণ আবাসস্থল, এমনকি মানবজাতীর ওপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে৷[১] আকারের উপর ভিত্তি করে, মাইক্রো-, মেসো-, অথবা ম্যাক্রোবর্জ্য এই তিনভাগে প্লাস্টিক দূষণকে শ্রেণীকরণ করা হয়।[২] নিয়মিত প্লাস্টিক পদার্থের ব্যবহার প্লাস্টিক দূষণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে৷ পলিথিন ব্যাগ, কসমেটিক প্লাস্টিক, গৃহস্থালির প্লাস্টিক, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্যের বেশিরভাগই পুনঃচক্রায়ন হয় না৷ এগুলো পরিবেশে থেকে বর্জ্যের আকার নেয়৷ মানুষের অসচেতনতাই প্লাস্টিক দূষণের প্রধান কারণ ৷ প্লাস্টিক এমন এক রাসায়নিক পদার্থ যা পরিবেশে পচতে অথবা কারখানায় পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করতে প্রচুর সময় লাগে ৷ তাই একে "অপচ্য পদার্থ" হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।[৩][৪] তাই প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে ৷ সাধারনত উদ্ভিদকূল, জলজ প্রাণী, দ্বীপ অঞ্চলের প্রাণীরা প্লাস্টিক বর্জ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে৷ প্লাস্টিক বর্জ্য ঐসকল প্রাণীর বাসস্থান, খাদ্য সংগ্রহের স্থান ও উদ্ভিদের খাদ্য গ্রহণের পথে বাধার সৃষ্টি করে।[২] শুধুমাত্র উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণী নয়, মানুষ প্লাস্টিক দূষণের কারণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ৷ থাইরয়েড হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণের জন্য প্লাস্টিক দূষণ পরোক্ষভাবে দায়ী৷ শুধুমাত্র আমেরিকাতে প্রতিবছর ৫ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহৃত হয় ৷ এগুলোর মধ্যে মাত্র ২৪ শতাংশ পুনঃচক্রায়ন হয়ে থাকে ৷ অন্য ৩.৮ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য আকারে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়৷[৫] বর্তমানে বিভিন্ন দেশে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে ৷ বাংলাদেশেও পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ভারতের কোকো সৈকতে প্লাস্টিক বর্জ্য

প্রাণীকূলের উপর প্রভাবসম্পাদনা

প্লাস্টিক দূষণ প্রাণীকুলের খাদ্যচক্রের উপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে ৷ [১৪][১৫] এটি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপর বেশি বিরুপ ফেলে ৷ " Introduction to Marine Biology" বই অনুসারে প্লাস্টিক দূষণ সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য "একক সর্বাধিক হুমকি" র মত ৷ [১৬] বেশকিছু সামুদ্রিক প্রজাতি, যেমন: সামুদ্রিক কচ্ছপের পাকস্থলীতে বিজ্ঞানিরা প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক বর্জ্য পেয়েছেন ৷ যখনই এমনটা ঘটে, তখন ঐসব প্রাণী ক্ষুধায় ভোগে কারণ প্লাস্টিক বর্জ্য তাদের পরিপাকতন্ত্রকে বন্ধ করে দেয় ৷ এতে প্রাণীর মৃত্যুও ঘটে ৷ অনেকক্ষেত্রে, সামুদ্রিক প্রাণী প্লাস্টিক পণ্য যেমন জাল দ্বারা বিজড়িত হয় ৷ যার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও মৃত্যুও ঘটে থাকে ৷

সামুদ্রিক প্রাণীর উপর প্রভাবসম্পাদনা

সামুদ্রিক প্রাণীর উপর প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব সবচেয়ে বেশি ৷ সামুদ্রিক কচ্ছপের মৃত্যু প্লাস্টিক দূষণের কারণে ঘটছে ৷ সামুদ্রিক কচ্ছপ সাধারণত জেলিফিশ, সামুদ্রিক কীট খেয়ে জীবনধারণ করে ৷ জেলিফিসের আকার ও আকৃতি প্লাস্টিক ব্যাগের মত হওয়ায় কচ্ছপ ভুল করে প্লাস্টিক ব্যাগ ভক্ষণ করে ৷ এতে তাদের খাদ্য নালিকা বন্ধ হয়ে যায় এবং খাদ্য গ্রহণ করতে অক্ষম হওয়ায় ধীরে ধীরে মারা যায় ৷ এর চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সামুদ্রিক তিমি ৷ সামুদ্রিক তিমির পাকস্থলীতে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে ৷ [১৭] এছাড়াও সামুদ্রিক ছোট মাছের পাকস্থলীতে প্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে ৷ তাই প্লাস্টিক দূষণ সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির জন্য হুমকিস্বরূপ। খুব লহারাপ

পাখির উপর প্রভাবসম্পাদনা

প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব শুধুমাত্র সামুদ্রিক মাছের উপর নয় সামুদ্রিক পাখির উপরও রয়েছে ৷ বেশিরভাগ সামুদ্রিক পাখির পেটে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক পাওয়া যায় ৷ কারণ সমুদ্রে ভাসমান প্লাস্টিক ও মাছের মধ্য তুলনা না করতে পারায় পাখিরা প্লাস্টিক গ্রহণ করে ৷ ২০০৪ সালে এক গবেষণায় মাধ্যমে গবেষকরা জানান "সামুদ্রিক গিল" এর পেটে ৩০ খন্ডের সম পরিমাণ প্লাস্টিক পাওয়া যায় ৷ [১৮] প্লাস্টিক পদার্থ থেকে সাধারণত বিষাক্ত রাষায়নিক পলিক্লোরিনেটেড বায়োফেনল নির্গত হয় ৷ এই বিষাক্ত রাষায়নিক দেহের বিভিন্ন টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ৷ পাখিরা যখন প্লাস্টিক পদার্থ গ্রহণ করে তখন তাদের পেটেও বিষাক্ত রাষায়নিক পলিক্লোরিনেটেড বায়োফেনল নির্গত হয় ৷ এর জন্য তাদের দেহের টিস্যু ধ্বংস হয়, তাদের দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ৷ ধীরে ধীরে পাখির মৃত্যু হয় ৷ এক পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানা যায় যে, ১.৫ মিলিয়ন লাইসন অ্যালবাট্রস যারা উত্তর ক্যরোলাইনে বাস করে তাদের পাকস্থলিতে প্লাস্টিক পদার্থ পাওয়া যায় এবং তাদের মৃত্যু ঘটে ৷

মানুষের উপর প্রভাবসম্পাদনা

প্লাস্টিক দূষণ মানুষের স্বাস্থ্যের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সাধারনত প্লাস্টিক পদার্থে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক রঞ্জক মেশানো হয়। এসকল রঞ্জক কারসিনজেন হিসেবে কাজ করে ও এন্ডোক্রিনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।[১৯]

ইট ভাটায় দূষিত বাংলাদেশ

 




ইট ভাটা


মধুপুর,বদরগন্জ,রংপুর 



শুষ্ক মৌসুম এলে বায়ুদূষণের অতি উচ্চমাত্রা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়, আর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে কী কী কারণে এই দুর্দশার সৃষ্টি হয়েছে। কারণগুলো মোটেও অজানা নয়। ফলে সেই সব জানা কারণ নিয়েই প্রচুর কথা হয়। কিন্তু কথা যতই হোক, কাজ কিছু হয় না। বায়ুদূষণ চলতেই থাকে, শোরগোল একসময় থেমে যায়।

ইতিমধ্যে আমাদের রাজধানী ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর নগরীগুলোর তালিকায় প্রথম দিকে উঠে এসেছে, তখন সংবাদমাধ্যমে এল অবৈধ ইটভাটার কথা। কারণ, ইটভাটাগুলো বায়ুদূষণের এক বড় উৎস। দেখা যাচ্ছে, সারা দেশে ইটভাটাগুলো চলছে সেগুলোর মালিকদের খেয়ালখুশিমতো। অধিকাংশ ইটভাটার মালিক আইনকানুনের তোয়াক্কা করেন না। কারণ, তাঁরা কীভাবে ইটভাটাগুলো চালাচ্ছেন, সেদিকে সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে মোট ইটভাটার সংখ্যা ৮ হাজার ৩৩টি। এগুলোর মধ্যে ২ হাজার ৫১৩টির পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। আইন অনুযায়ী পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ইটভাটা চলতে পারে না, সে অর্থে এগুলো অবৈধ স্থাপনা। উপরন্তু, ইটভাটায় জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণের যে শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে, ২ হাজার ৮৩৭টি ইটভাটা সেই প্রযুক্তি গ্রহণ করেনি। এই ইটভাটাগুলোও আইনত অবৈধ। পরিবেশ অধিদপ্তর গত বুধবার ৩ হাজারের বেশি অবৈধ ইটভাটার একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আমাদের প্রশ্ন, এই বিপুলসংখ্যক ইটভাটা কি রাতারাতি নির্মিত হয়েছে? পরিবেশ ছাড়পত্র না নিয়ে, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ না করে যেসব ইটভাটা ইট পোড়ানোর কাজ শুরু করেছে এবং ইট পুড়িয়ে চলেছে, পরিবেশ অধিদপ্তর কেন এত দিন সেগুলোর খোঁজ রাখেনি? শুধু তা-ই নয়, যেসব ইটভাটা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছে, তাদের প্রযুক্তিগুলো প্রকৃতপক্ষে কতটা পরিবেশবান্ধব, সে বিষয়েও পরিবেশ অধিদপ্তর খোঁজ রাখেনি। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, যেসব প্রযুক্তিকে পরিবেশবান্ধব বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোতে অনেক গলদ আছে, সেগুলোও নানা ধরনের দূষণ ঘটাচ্ছে।

ইট তৈরির শিল্পটিকে পরিবেশসম্মতভাবে পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশে ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ নামের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন আছে। তা ছাড়া ২০১০ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের স্বাভাবিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া দেশে একটিও ইটভাটা চালু করা সম্ভব ছিল না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দেশের প্রতি তিনটি ইটভাটার মধ্যে একটিই চলছে অবৈধভাবে। এটা কাগজ-কলমের হিসাব। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে দেশের ৯০ শতাংশ ইটভাটাই অবৈধ। বছরের পর বছর ধরে এগুলো মারাত্মক দূষণ ঘটিয়ে চলেছে, কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রুক্ষেপ করেনি। যখন বায়ুদূষণের মারাত্মক উচ্চমাত্রা সংবাদমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে, তখন সরকার আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করে ঘোষণা দিল বায়ুদূষণ রোধ করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আর উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশ এসেছে, ঢাকা ও এর আশপাশের চারটি জেলার অবৈধ ইটভাটাগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের মধ্যে বন্ধ করতে হবে।




কিন্তু এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপমন্ত্রীর যে বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সংশয় জাগে। উপমন্ত্রী বলেছেন, শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়নকাজগুলো পুরোদমে চলে, এই সময়ে প্রচুর ইটের দরকার হয়। সুতরাং সব অবৈধ ইটভাটা একযোগে বন্ধ করে দিলে উন্নয়নকাজে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। তাহলে কোন অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হবে, কোনটি ছাড় পাবে—এটা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে? তা ছাড়া এই বক্তব্যের আইনগত ভিত্তি কী?

আইনানুগভাবে সব অবৈধ ইটভাটা অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।

Modhupur মধুপুর

আমাদের  মধুপুর ইউনিয়ন






মধুপুর ইউনিয়ন-কে জানুন:-

 

রংপুর জেলার বদরগঞ্জউপজেলার মধ্যে মধুপুর ইউনিয়নটি অবস্থিত।রংপুর শহর থেকে ১৭ কি:মি: দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এবং বদরগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩ কি:মি: উত্তরে।বদরগঞ্জ হতে রংপুর যাইতে এরশাদ ব্রীজ/যমুনেশ্বরী সেতু পেরিয়ে ৫০০গজ উত্তরে বোর্ডঘর চৌরাস্তার মোড়ের পার্শ্বেই।বদরগঞ্জ উপজেলার ১১নং গোপালপুর ইউনিয়ন এবং শ্যামপুর সুগার মিলস লি: এর ৭ কি:মি:পশ্চিমে অবস্থিত।ইউনিয়নটির ৩নং ও ৯নং ওয়ার্ডের পাশ দিয়ে ৫ কি:মি:পর্যন্ত যমুনেশ্বরী নদী প্রবাহিত হয়।ইউনিয়ন পরিষদ হতে ৪ কি:মি: উত্তরে বদরগঞ্জ উপজেলার ০৯নং দামোদরপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।এই ইউনিয়নের অধিক মানুষই কৃষিজীবি ।এছাড়াও চাকুরীজীবি,দিনমজুর,ব্যবসায়ী ও অন্যান্য পেশাজীবি মানুষ রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের সামনে একটি সু-নিমজ্জিত পুকুর আছে আরো আছে যে,প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাশেই পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউ.পি ভবনের পেছনে ভূমি অফিস।

  • ইউনিয়নটির মোট আয়তন : ১০.৫০ বর্গমাইল।
  • ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি মোট : ০.৯৯ একর জমির মধ্যে অবস্থিত।
  • মোট জনসংখ্যা : ৩৫,০০০ জন।
  • পুরুষ : ১৮১৩৬ জন।
  • নারী  : ১৬৮৬৪ জন।
  • মৌজার সংখ্যা: ০৪(চার)টি।
  • পাড়ার সংখ্যা: ১০৬ টি।
  • খানার সংখ্যা: ৮০০৯ টি।
  • শিক্ষার হার: ৮০%
  • কর আদায় হার: ৬০%
  • ইউনিয়ন পরিষদ ভবন: ০২(দুই)টি।
  • পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ কেন্দ্র:  ০১(এক)টি।
  • কমিউনিটি ক্লিনিক : ০৩(তিন)টি।
  • ডাকঘর:  ০২(দুই)টি।
  • রেলষ্টেশন: ০১(এক)টি।
  • বীর প্রতিক: ০১(এক)জন।
  • মুক্তিযোদ্ধা:  ০৮(আট)জন।
  • আবাদী জমির পরিমান:  ১১১৫৫৬ একর।
  • পতিত জমির পরিমান: ৫০০ একর।
  • প্রধান ফসল: ধান,পাট,আলু।
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়:  ০৮(আট)টি।
  • বে-সরকারী বিদ্যালয়: ০৮(আট)টি।
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়:  ০৫(পাচ)টি।
  • মাদ্রাসা: ০২(দুই)টি।
  • মসজিদ: ৭৬(ছিয়াত্তর)টি।
  • মন্দির: ০২(দুই)টি।
  • শ্বশান:  ০৩(তিন)টি।
  • হাটবাজার: ০২(দুই)টি।
  • ভিজিডি কার্ড: ৩২৫ জন।
  • প্রতিবন্ধী ভাতা:  ৫৩ জন।
  • মাতৃত্বকাল ভাতা:  ২৮ জন।
  • বয়স্ক ভাতা:  ৫৪৮ জন।
  • বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা:  ২৩২ জন।


বদরগন্জের ইতিকথা

 ইতিহাসে আমার জন্ম স্থান বদরগঞ্জঃ বদরগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের রংপুর জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। বদরগঞ্জ থানা রূপে আত্মপ্রকাশ করে ১৭৯৩ সালে এবং...